ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রথম দিনে, রাজধানীর মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একটি পুরুষ ভোট কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার জন্য গড়ে প্রায় পৌনে তিন মিনিট সময় লাগছে। এই সময়ের মধ্যে ব্যালট পেপারে স্বাক্ষর দেওয়া থেকে শুরু করে গোপন কক্ষে ভোট দেওয়া এবং তা ব্যালট বক্সে জমা দেওয়া পর্যন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে।
গোপন কক্ষে প্রবেশ থেকে ব্যালট বক্সে ভোট জমা দেওয়ার জন্য গড়ে ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড সময় লাগছে। সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ছয়জন ভোটারের ভোট দেওয়ার সময় বিশ্লেষণ করা হলে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
কিছু ভোটারের মধ্যে গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা গেছে। তারা ব্যালটটির উদ্দেশ্য, কীভাবে পূর্ণ করতে হবে এবং কোথায় ভোট দিতে হবে—এমন প্রশ্ন করছেন। এই বিভ্রান্তি ভোটকেন্দ্রে সময় ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, এমনটাই জানিয়েছেন কিছু ভোটার।
ভোটকেন্দ্রে আসা আমিনুল ইসলাম নামের একজন ভোটার বলেছেন, “বুথের ভেতরে ব্যালট পেপারে স্বাক্ষর দেওয়ার পর থেকে ব্যালট বাক্সে ভোট জমা দিতে ২ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড সময় নিয়েছি।” অন্য পাঁচ ভোটারের মধ্যে, সৈয়দ আবুল হাশেমের সময় লেগেছে ২ মিনিট ১৭ সেকেন্ড, মো. আবুল কালামের ৩ মিনিট ১২ সেকেন্ড, আরমান আহমেদের ৩ মিনিট ৯ সেকেন্ড, আবুল হোসেনের ২ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড এবং কে এম আলী আজাদের ২ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড।
কালাম জানিয়েছেন, “দুই জায়গায় সিল মারতে হয়েছে, আবার দুটি কাগজ ভাঁজ করতে হয়েছে, তাই সময় একটু বেশি লেগেছে।”
গোপন কক্ষে গিয়ে ভোট জমা দেওয়ার সময় গড়ে ১ মিনিট ৩১ সেকেন্ড। এই সময়ের মধ্যে আমিনুল ইসলাম ১ মিনিট ২৫ সেকেন্ড, হাশেম ১ মিনিট ২১ সেকেন্ড, কালাম ১ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড, আরমান ১ মিনিট ২৭ সেকেন্ড, আবুল হোসেন ১ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড এবং আজাদ ১ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড সময় নিয়েছেন।
ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কিছু ভোটার গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তি প্রকাশ করেছেন। অনেকেই গোপন কক্ষে প্রবেশের আগে নির্বাচন কর্মকর্তাদের অথবা পাশের ভোটারদের কাছে গণভোটের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন করছেন।
একজন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “দুটি ভোট (জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট) একসঙ্গে হচ্ছে, তাই সময় কিছুটা বেশি লাগছে।”










