Home বাংলাদেশ নিরাপদ বিকল্প হিসেবে “সুকুক”–এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে

নিরাপদ বিকল্প হিসেবে “সুকুক”–এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে

24
0

সাধারণ মানুষ তাদের সঞ্চয়ের টাকা নিরাপদ ও আস্থাভাজন জায়গায় বিনিয়োগ করতে চান। এই প্রেক্ষাপটে প্রচলিত সঞ্চয়পত্র, এফডিআর বা বন্ডের পাশাপাশি সুকুক নামে আরেকটি বিনিয়োগ পণ্যভাবেই সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সুকুকে সহজ ও বিনিয়োগ‑বান্ধব করতে কিছু নতুন নিয়ম চালু করেছে।

এতে করে বিনিয়োগকারীরা সহজেই ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সুকুক‑ইনভেস্টর আইডি (বিনিয়োগকারী আইডি) খুলতে পারবেন। নতুন প্রজ্ঞাপনে নির্দিষ্ট মাশুল ও দরকারি কাগজপত্রসহ কীভাবে হিসাব খুলতে হয় তা বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে।

📌 সুকুক‑এ বিনিয়োগ করতে যা লাগবে:
🔹 আবেদন ফরম
🔹 ব্যাংক হিসাবের তথ্য
🔹 জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট
🔹 ছবি
🔹 টিআইএন (যথাযথ ক্ষেত্রে)
🔹 যোগাযোগ তথ্য
🔹 নমিনির পরিচয়পত্র ও ছবি ইত্যাদি।
এখানে ব্যক্তি, অনিবাসী বা বিদেশি ব্যক্তি, কর্পোরেট, ফান্ড অথবা অংশীদারি প্রতিষ্ঠান—সব ধরনের বিনিয়োগকারীর জন্য আলাদা প্রয়োজনীয় নথিপত্র নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

💰 মাশুল কত:
আইডি খোলা, প্রাথমিক নিলামে অংশগ্রহণ ও বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা মাশুল ধার্য করা হয়েছে। সেকেন্ডারি মার্কেটের লেনদেনেও প্রতি টিকা ১০০ টাকা মাশুল দিতে হবে।

💡 সুবিধা:
একাধিক সেবা বিনা মাশুলেই পাওয়া যাবে — যেমন মুনাফা উত্তোলন, হোল্ডিং রিপোর্ট সংগ্রহ বা সুকুক আইডি বন্ধ করা।

এই সব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সাধারণ বিনিয়োগকারীকে সুকুক‑এর মতো নিরাপদ আর্থিক পণ্য গ্রহণে উৎসাহিত করা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here