রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিরসনে তুরস্কের চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। মঙ্গলবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় দুই নেতার মধ্যে অনুষ্ঠিত এক ফোনালাপে এই ধন্যবাদ জানানো হয়।
ইতালির প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফোনালাপে উভয় নেতা ইউক্রেন সংঘাতের বর্তমান পরিস্থিতি এবং একটি ন্যায্য ও স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘ইস্তাম্বুলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনার আয়োজন করতে তুরস্কের প্রস্তুতির ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে দুই নেতা কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করেন এবং ইউক্রেনে একটি ন্যায্য ও স্থায়ী শান্তির প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।’
আলোচনায় সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তুরস্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য প্রধানমন্ত্রী মেলোনি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ইউক্রেনের মতো রাশিয়াও সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনার আমন্ত্রণে ইতিবাচক সাড়া দেবে এবং ৩০ দিনের একটি পূর্ণ ও নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতি মেনে নেবে।
২০২২ সালের শুরুতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আরম্ভ হওয়ার পর থেকে এটি সংঘাত অবসানের সর্বশেষ কূটনৈতিক উদ্যোগ।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত রবিবার তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইউক্রেনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার একটি প্রস্তাব দিয়েছেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইতোমধ্যেই তুরস্কে অনুষ্ঠেয় সম্ভাব্য এই আলোচনায় তার যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে, প্রেসিডেন্ট পুতিন এখনো তার অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।
অন্যদিকে, শান্তি আলোচনায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনে নিযুক্ত ট্রাম্পের বিশেষ দূত কিথ কেলগ। মঙ্গলবার (১৩ মে) ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।










