পঞ্চগড়ে প্রতিদিনই শীতের তীব্রতা বাড়ছে। আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৫ শতাংশ।
গত কয়েক দিন পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে উঠানামা করছে। শুক্রবার তাপমাত্রা ছিল ১২.০ ডিগ্রি, বৃহস্পতিবার ১২.৫ ডিগ্রি, বুধবার ১২.২ ডিগ্রি, মঙ্গলবার ১১.৭ ডিগ্রি, সোমবার ১৩.৩ ডিগ্রি এবং রোববার ছিল ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শনিবার সকালে কুয়াশা বেড়ে যাওয়ায় শহর ও আশপাশের রাস্তাঘাট ফাঁকা দেখা যায়। অপ্রয়োজনীয় কারণে কেউ বাইরে বের হচ্ছে না। সবচেয়ে বিপাকে রয়েছেন স্বল্প আয়ের মানুষ, বিশেষ করে ভ্যানচালকরা। সকালে যাত্রী কম থাকায় তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
জালাশি এলাকার ভ্যানচালক শফিকুল মিয়া বলেন, “ভাই, ঠান্ডা এমন পড়ছে—সকালে মানুষ বের হয় না। ভ্যানে ওঠার লোকই নেই। হাত-পা বরফ হয়ে যায়, কাজও হচ্ছে না। রোজগার একেবারেই কমে গেছে।” আরেক ভ্যানচালক নূরুল জানান, “লোকজন উঠতে চায় না, তাই ভ্যান দাঁড় করিয়ে থাকতে হয় রাস্তায়। শীত বাড়লে ভ্যান চালানোই মুশকিল হয়ে পড়ে।”
এদিকে জেলায় সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, “শীত আরও কয়েক দিন বাড়তে পারে। আজ ১১ ডিগ্রি রেকর্ড হয়েছে, সামনে তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে।”










