চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উদ্যোগে তাইওয়ানকে যুক্তরাষ্ট্রের বদলে বেইজিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি চীনের একটি নতুন কৌশল, যার লক্ষ্য তাইওয়ানকে ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব থেকে দূরে এনে চীনের সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংযোগ বাড়ানো।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বেইজিং সম্প্রতি তাইওয়ানের বিরোধী দল কুওমিনতাং (KMT)-এর নেতাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে। সেই বৈঠকে শি জিনপিং জোর দিয়ে বলেন, তাইওয়ান ও মূল ভূখণ্ড চীনের জনগণ একই পরিবারের অংশ, এবং দুই পক্ষের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হওয়া উচিত।
চীন দীর্ঘদিন ধরেই “এক চীন নীতি”র ভিত্তিতে তাইওয়ানের সঙ্গে পুনর্মিলনের কথা বলে আসছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করে যে তাইওয়ানের স্বাধীনতা আঞ্চলিক শান্তির জন্য হুমকি।
অন্যদিকে তাইওয়ানের বর্তমান সরকার এই ধরনের কূটনৈতিক বার্তাকে সতর্কতার সঙ্গে দেখছে। তারা বলছে, তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল তাইওয়ানের জনগণেরই রয়েছে এবং কোনো বাইরের চাপ মেনে নেওয়া হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, এই কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে চীন একদিকে তাইওয়ানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি বার্তা দিতে চাইছে যে তাইওয়ান ইস্যুতে বেইজিংই প্রধান সিদ্ধান্তগ্রহণকারী শক্তি।










