Home বাংলাদেশ পার্বত্য চট্টগ্রামের সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’ নয়, প্রতি সম্প্রদায় নিজস্ব নাম ও রীতিতে...

পার্বত্য চট্টগ্রামের সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’ নয়, প্রতি সম্প্রদায় নিজস্ব নাম ও রীতিতে উদযাপন করবে

22
0

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান জানিয়েছেন, এখন থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সামাজিক উৎসবকে সাধারণভাবে ‘বৈসাবি’ বলে অভিহিত না করে প্রতিটি সম্প্রদায় তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক নাম ও স্বকীয় রীতিনীতিতে উদযাপন করবে। সামাজিক উৎসবের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বৈষম্যের সুযোগ রাখা হবে না।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনটি বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষে আয়োজিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি দেশের জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১১টি সম্প্রদায়ের এ উৎসবের মূল বার্তা শান্তি ও সম্প্রীতি। সরকার চায়, সব সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করুক। বর্তমান সরকার পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের স্বকীয়তা রক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, ১২ এপ্রিল ফুল বিজু/বৈসুর মধ্য দিয়ে প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হবে, ১৩ এপ্রিল ঘরে ঘরে ‘পাঁজন’ রান্নার মাধ্যমে মূল উৎসব উদযাপিত হবে এবং ১৪ এপ্রিল জলকেলি ও আশীর্বাদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান সব উৎসবে সাত রঙের মিশ্রণ থাকুক। রংধনুর মতোই বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্বকীয়তা উৎসবে ফুটে উঠবে। ১২ এপ্রিল রাজধানীর বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স থেকে রমনা পার্কের লেক পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও পুষ্প বিসর্জনের আয়োজন করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here