অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা ক্রিকেটার ড্যামিয়েন মার্টিনের শারীরিক অবস্থায় চমকপ্রদ উন্নতি হয়েছে। বক্সিং ডে-তে মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মার্টিনকে কোমায় রাখা হয়েছিল। তবে চিকিৎসকদের ভাষায় এটি ‘অলৌকিক’—কারণ এখন তিনি কোমা থেকে জেগে উঠেছেন এবং স্বজনদের সঙ্গে কথা বলতেও পারছেন।
৫৪ বছর বয়সী মার্টিনকে গত সপ্তাহে গোল্ড কোস্টের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর এখন তাঁর জ্ঞান ফিরেছে এবং শারীরিকভাবে দ্রুত সাড়া দিচ্ছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অবস্থার এতটাই উন্নতি হয়েছে যে খুব শিগগিরই তাঁকে আইসিইউ থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হতে পারে।
পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ও মার্টিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু অ্যাডাম গিলক্রিস্ট বলেন, “গত ৪৮ ঘণ্টার পরিবর্তন ছিল অভাবনীয়। ড্যামিয়েন কথা বলতে পারছে, চিকিৎসার প্রতি তার সাড়া যথেষ্ট ইতিবাচক। এটি সত্যিই এক বিস্ময়কর প্রত্যাবর্তন।” তিনি আরও জানান, চিকিৎসকেরা এখন আশাবাদী যে মার্টিন খুব দ্রুত স্বাভাবিক শারীরিক অবস্থায় ফিরতে পারবেন। তার মানসিক অবস্থা ভালো এবং তিনি সবার ভালোবাসা ও সমর্থনে অভিভূত।
মার্টিনের স্ত্রী আমান্ডার পক্ষ থেকেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। গিলক্রিস্ট জানান, আমান্ডা বিশ্বাস করেন—মানুষের ভালোবাসা, প্রার্থনা এবং সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে পাওয়া সহানুভূতি ড্যামিয়েনের দ্রুত আরোগ্য লাভে বড় ভূমিকা রেখেছে। এমন কঠিন সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোয় পরিবারটি নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছে।
ড্যামিয়েন মার্টিন ১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলে ৬৭টি টেস্ট খেলেছেন। ২০০০ সালে দলে ফিরে আসার পর তিনি স্টিভ ওয়াহর নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি।









