ইন্দোনেশিয়া থেকে রপ্তানি হওয়া হট রোলড ডিফর্মড স্টিল রিবার (রিইনফোর্সিং বার) পণ্যের ওপর অস্ট্রেলিয়ান সরকারের অ্যান্টি-ডাম্পিং তদন্ত বন্ধ হওয়ায় এখন আবার অস্ট্রেলিয়ায় এসব ইস্পাত রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী বুদি সান্তোসো (বুসান)।
সোমবার, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই তদন্তের সমাপ্তি ইন্দোনেশিয়ার ইস্পাত খাতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আগে এই তদন্তের কারণে অস্ট্রেলিয়ায় ইস্পাত রপ্তানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
তিনি আরও জানান, অস্ট্রেলিয়ান অ্যান্টি-ডাম্পিং কমিশন (ADC) গত ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তদন্ত বন্ধের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে উল্লেখ করা হয় যে, ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা রিবার পণ্যের ডাম্পিং মার্জিন মাত্র ১.৩ শতাংশ, যা ২ শতাংশের নির্ধারিত সীমার নিচে। ফলে এসব পণ্য আর অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্কের আওতায় পড়ছে না।
এ বিষয়ে বুদি বলেন, “অস্ট্রেলিয়ান বাজারে পুনরায় প্রবেশের সুযোগ ইন্দোনেশিয়ান ইস্পাত শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও বাড়াবে।”
এদিকে, বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক টমি আন্দানা জানান, এই সিদ্ধান্ত ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানিকারকদের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক দিক তৈরি করবে, বিশেষ করে যখন বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য সুরক্ষা নীতির ব্যবহার বাড়ছে।
তিনি বলেন, “আমরা ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দিচ্ছি যেন তারা তদন্ত প্রক্রিয়ার সময় সহযোগিতা বজায় রাখে এবং সরকারও তাদের স্বার্থ রক্ষায় পাশে থাকবে।”
এছাড়া, ট্রেড সিকিউরিটির পরিচালক রেজা পাহলেভি ছাইরুল ইন্দোনেশিয়ান রপ্তানিকারকদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং তদন্তে সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “একটি সুষ্ঠু তদন্তের জন্য কোম্পানিগুলোর সহযোগিতামূলক মনোভাব গুরুত্বপূর্ণ, যা ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সহায়তা করে।”









