দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জননায়গন’-এর প্রতীক্ষিত ট্রেলার অবশেষে প্রকাশিত হয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি, যা বিজয়ের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করার আগের শেষ চলচ্চিত্র। এইচ বিনোথ পরিচালিত এই ছবিতে বিজয়কে দেখা যাবে একজন ন্যায়পরায়ণ পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকায়।
দুই মিনিটের বেশি সময়ের ট্রেলারে একদিকে দেখা যায় বিজয় চরিত্রের পারিবারিক অনুভব, অন্যদিকে উঠে এসেছে রাজনৈতিক ও সামরিক ষড়যন্ত্রের গল্প। ট্রেলারের এক মুহূর্তে ছোট্ট একটি মেয়ে বিজয়ের কাছে বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করে—
“আপনি একাই পুরো ব্যাটালিয়নকে হারিয়েছেন! আপনি কি সুপারম্যান?”
বিজয় বিনয়ের সঙ্গে জবাব দেন—
“আমি একজন সাধারণ মানুষ। কিন্তু মানুষ বলেই আমি যা করি, তা সুপার।”
সিনেমার গল্পে বিজয়ের মেয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চায়, কিন্তু তার ভিতরে লুকিয়ে থাকা এক গভীর ভয় জড়িয়ে রয়েছে ‘অপারেশন ওএম’ নামের একটি গোপন ষড়যন্ত্রের সঙ্গে, যার পেছনে রয়েছে ববি দেওলের খলচরিত্র।
ট্রেলারে বিজয়ের চরিত্রটি রাজনৈতিক দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করে বলে—
“মানুষের সেবার জন্য রাজনীতিতে যোগ না দিয়ে, আপনারা নিরীহ জীবন ধ্বংস করতে এসেছেন।”
এ ধরনের রাজনৈতিক ও সামাজিক বার্তাবহ সিনেমা নির্মাণে পরিচিত পরিচালক এইচ বিনোথ, এই প্রথমবার থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে কাজ করেছেন। নতুন এই জুটির উপস্থিতি ইতোমধ্যেই দর্শক ও বক্স অফিসে আগ্রহ বাড়িয়েছে।
সিনেমাটি ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে শুটিং করা হয়েছে, যার মধ্যে বিজয় ৮৪ দিন শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল স্টেডিয়াম বুকিত জলিলে বিশাল অডিও লঞ্চ অনুষ্ঠানে বিজয় আবেগভরে বলেন—
“আমি সেই ভক্তদের জন্য সিনেমা ছাড়ছি, যারা আমার জন্য সবকিছু দিয়েছে।”
ছবিতে বিজয়ের সঙ্গে আরও আছেন পূজা হেগডে, ববি দেওল, গৌতম বসুদেব মেনন, প্রকাশ রাজ ও প্রিয়মণি।
ট্রেলার মুক্তির পরপরই ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। কেউ বলছেন, “এই বিজয়কেই চাই”, কেউ আবার অনুরোধ করছেন যেন তিনি আরও কিছু সিনেমা করেন।










