বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।” তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টার পর, রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছিল। এবার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।”
এ সময় তিনি সারা দেশ থেকে গত রাতে পাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে সেসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা আশাব্যঞ্জক।” তিনি ভোটারদের এবং দলীয় নেতাকর্মীদের শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “মানুষ যদি সারাদিন ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের অধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।”
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তারেক রহমান দৃঢ়ভাবে বলেন, “তিনি এবং তার দল জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।” তিনি বলেন, “নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবেন, যাতে সাধারণ মানুষ দেশে নিরাপদ বোধ করেন।”
নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।” নির্বাচনী ইশতেহারের মতো নারীর যথাযথ মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের কাজ প্রথম দিন থেকেই শুরু করা হবে, তিনি জানান।
ভোটের পরিবেশ এবং নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, “এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। আরও কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করার পর হয়তো বলতে পারব।”
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর ও স্থিতিশীল আগামীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।










