Home এশিয়া পেসিফিক লিভারপুল সিটি কাউন্সিলের সাউথ ওয়ার্ডে নির্বাচিত হলেন জেলি মুনজিজা

লিভারপুল সিটি কাউন্সিলের সাউথ ওয়ার্ডে নির্বাচিত হলেন জেলি মুনজিজা

26
0

লিভারপুল সিটি কাউন্সিলের সাউথ ওয়ার্ডে শূন্য হওয়া কাউন্সিলর পদে লেবার পার্টির প্রার্থী জেলি মুনজিজা নির্বাচিত হয়েছেন। সাবেক ডেপুটি মেয়র ডা. বেটি গ্রিনের পদত্যাগের ফলে এই শূন্যতা তৈরি হয়েছিল।

লিভারপুল সিটি কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেসন ব্রেটন আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন এবং নবনির্বাচিত কাউন্সিলর জেলি মুনজিজাকে স্বাগত জানান।

ব্রেটন বলেন, “লিভারপুল সিটি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে আমি কাউন্সিলর-ইলেক্ট জেলি মুনজিজাকে অভিনন্দন জানাই এবং কাউন্সিলে স্বাগত জানাই। কাউন্সিলের প্রশাসনিক বিভাগের প্রধান হিসেবে আমি ও আমার সহকর্মীরা মেয়র ও কাউন্সিলরদের নির্দেশনা অনুযায়ী লিভারপুলের জনগণকে সেবা দিয়ে যেতে আগ্রহী।”

লিভারপুলের মেয়র নেড মান্নাউনও জেলি মুনজিজাকে অভিনন্দন জানান এবং বলেন, “কাউন্সিল তখনই সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করে যখন কাউন্সিলররা পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার মাধ্যমে কমিউনিটির স্বার্থে কাজ করেন। আমি জেলি মুনজিজার সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছি, যাতে আমরা লিভারপুলের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পারি।”

আগামী সোমবার জেলি মুনজিজাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করানো হবে এবং মে মাসের নিয়মিত কাউন্সিল সভায় তিনি অংশ নেবেন।

নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর জেলি মুনজিজা স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সাউথ ওয়ার্ডের মানুষ আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন, তার জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আমি আমাদের কমিউনিটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দিতে চাই—যেমন মানুষ যে মৌলিক সেবা পাওয়ার আশা করে ও প্রাপ্য।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের রাস্তা পরিষ্কার রাখা, পার্ক ও খেলার মাঠের যত্ন নেওয়া এবং কমিউনিটি সুবিধাগুলো সংরক্ষণ ও উন্নত করাই আমার অগ্রাধিকার হবে। আমি দ্রুত কাজ শুরু করতে প্রস্তুত এবং কমিউনিটি ও কাউন্সিলের সঙ্গে মিলে লিভারপুলে বাস্তব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই।”

জেলি মুনজিজার পটভূমি

জেলি মুনজিজা ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে লিভারপুল এলাকায় বসবাস করছেন। তিনি স্থানীয় সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন এবং বর্তমানে পরিবারসহ স্থানীয় এলাকাতেই বসবাস করছেন, যেখানে তিনি তার তিন সন্তানকে বড় করছেন।

স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন সমস্যা, কমিউনিটি সেবা এবং অবকাঠামোগত চাহিদা সম্পর্কে তার গভীর ধারণা রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, কাউন্সিলের উচিত বাস্তবমুখী বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়া—যেমন পার্ক, খেলার মাঠ ও জনসাধারণের স্থান রক্ষণাবেক্ষণ, রাস্তা পরিষ্কার রাখা, নিয়মিত ঘাস কাটা এবং স্থানীয় সড়ক মেরামত।

তিনি বলেন, কাউন্সিলরদের উচিত সবসময় জনগণের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা, তাদের মতামত ও সমস্যার কথা শোনা এবং স্থানীয় পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা।

চূড়ান্ত ভোটের ফলাফল (এনএসডব্লিউ ইলেক্টোরাল কমিশন)

সুজি নিপ — ১,৯৭৫

আলানা হামফ্রিস — ৪,৪৬৩

কাররেস রোডস — ২,১৮৯

জামিল আজিম — ২,৯৩০

আজাম দাব্বাঘ — ১২,৬৪৩

জেলি মুনজিজা — ২২,২১২ (নির্বাচিত)

মাইকেল টিয়ার্নি — ১,৬০১

জামাল দাউদ — ২,১৮৪

দেব গুরুং — ৪,৫১০

এডওয়ার্ড শাভে — ৫১০

মাইকেল বাইর্ন — ৩,১৬৩

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here