মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি সংঘাতে উত্তেজনা বেড়েছে, তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, ইরানে হামলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে, ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে আক্রমণ করে, তাহলে মার্কিন সামরিক বাহিনী এমন ‘ঐতিহাসিক’ প্রতিশোধ নেবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি।
এই মন্তব্য রবিবার (১৫ জুন) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
ট্রাম্প আরও বলেছেন, “চাইলেই আমরা ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সহজেই একটি চুক্তি করতে পারি এবং এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সমাপ্তি ঘটাতে পারি।”
এছাড়া, হোয়াইট হাউসের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যদি তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধে আগ্রহী হয়, তবে এখনো শান্তিপূর্ণ সমাধানের সুযোগ রয়েছে। তবে, তিনি আরও জানান, “আজ যা ঘটছে তা আর ঠেকানো যাবে না, কিন্তু যদি ইরান আলোচনায় আগ্রহ দেখায়, তাহলে শান্তির সম্ভাবনা রয়েছে।”
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর, ইরান তাদের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু করলেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে, ইরান এবং ওমানের মধ্যস্থতায় কয়েকটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ওমান ইরানে ইসরায়েলের হামলাকে “বিপজ্জনক ও বেপরোয়া উত্তেজনা” হিসেবে উল্লেখ করে এর নিন্দা করেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনি মন্তব্য করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো অধিকার নেই ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরিতে বাধা দেওয়ার।
এদিকে, ইসরায়েলি হামলার পাল্টা জবাবে ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যাতে ইসরায়েলে বেশ কয়েকজন মারা গেছেন। এছাড়া, ট্রাম্প জানিয়েছেন যে তিনি ইসরায়েলকে সব ধরনের সমর্থন দেন, তবে এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে কি না, সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।










