ফিফার নতুন সংস্করণের ৩২ দলের ক্লাব বিশ্বকাপে শুরুতেই বড় ধরনের জয় পেয়েছে ইউরোপের দুই জায়ান্ট—প্যারিস সেন্ট-জার্মেই (পিএসজি) এবং বায়ার্ন মিউনিখ।
রোববার, পিএসজি ৪-০ গোলে লা লিগার শক্তিশালী ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদকে পরাজিত করে, এবং বায়ার্ন মিউনিখ ১০-০ গোলে নিউজিল্যান্ডের ক্লাব অকল্যান্ড সিটিকে বিধ্বস্ত করে।
পিএসজির রাজকীয় সূচনা: আতলেতিকোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিল এনরিকের দল
পাসাডেনার ঐতিহাসিক রোজ বোল স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই পিএসজি আধিপত্য বিস্তার করে। ম্যাচের ১৯তম মিনিটে ফাবিয়ান রুইজ দুর্দান্ত শটে দলকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে গ্রিজমানের মিস থেকে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক করে ভিতিনহা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে খভিচা কভারাতসখেলিয়া তৃতীয় গোলের কাছে পৌঁছালেও, আতলেতিকোর গোলরক্ষক ওবলাক অসাধারণ সেভে দলকে রক্ষা করেন। এরপর, হুলিয়ান আলভারেজ একটি গোল করলেও, ভিএআরের মাধ্যমে তা বাতিল হয়।
আতলেতিকোর দুর্ভাগ্য এখানেই শেষ হয়নি। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে ক্লেমাঁ লংলে লাল কার্ড পান। পিএসজি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৮৭তম মিনিটে সেনি মায়ুলু তৃতীয় গোল করেন, আর অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে লি কাং-ইনের পেনাল্টিতে ৪-০ ব্যবধানে ম্যাচ শেষ হয়।
বায়ার্নের গোলবন্যা: অকল্যান্ডকে ১০-০ গোলে উড়িয়ে ইতিহাস গড়ল জার্মান জায়ান্টরা
সিনসিনাটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে, বায়ার্ন মিউনিখ ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিতে থাকে। মাত্র ৬ মিনিটে জশুয়া কিমিচের কর্নার থেকে গোল করেন কিংসলে কোমান। এরপর মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে একে একে তিনটি গোল করেন—সাশা বোয়, মাইকেল ওলিসে এবং আবার কোমান।
টমাস মুলার ও মাইকেল ওলিসে আরও দুটি গোল করে প্রথমার্ধ শেষ হয় ৬-০ তে। দ্বিতীয়ার্ধে ইনজুরি থেকে ফিরে জামাল মুসিয়ালা ঝড় তোলেন। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে মাত্র ১৭ মিনিটের মধ্যে হ্যাটট্রিক করেন—একটি কভার শট, একটি পেনাল্টি, এবং একটি গোল ডিফেন্ডারের ভুলে।
ম্যাচের শেষ দিকে মুলার নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোরলাইন দাঁড় করান ১০-০-এ, যা ক্লাব বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়।
অকল্যান্ড কোচ ইভান ভিসেলিচ বলেন, “আমাদের বেশিরভাগ খেলোয়াড়কেই ছুটি নিতে হয়েছে এই টুর্নামেন্টে আসার জন্য। বায়ার্নের মতো দলের বিপক্ষে খেলা জীবনের সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা।”










