১৯৯০ সালে প্রথম এই ভাইরাসটির নাম শোনা গিয়েছিল, এবং এখন আবারও এটি ফিরে এসেছে। করোনার পরবর্তী সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় বাদুড় থেকে ছড়ানো রোগের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি, বাদুড়ের কামড়ে একজন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, এবং তার শরীরে জলাতঙ্কের জীবাণু পাওয়া গেছে। তবে অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, এই মৃত্যু রেবিসের কারণে নয়, বরং দায়ী লিসাভাইরাস। বাদুড়ের লালায় এই ভাইরাসটি থাকে, যা সাধারণত মানুষের শরীরে ছড়ায় না, তবে এই ঘটনায় ভাইরাসটি আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করেছে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।
এছাড়া, গত পঞ্চাশ বছরে বাদুড়ের মাধ্যমে ইবোলা, নিপা, হেন্ড্রা, সার্স, মার্স, এবং করোনা (সার্স কোভ-২) সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এই ভাইরাসগুলো আরএনএ ভাইরাস, যা পরিবেশের পরিবর্তনে নিজেদের পরিবর্তন করতে সক্ষম, এই ক্ষমতা তাদের সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য আরও শক্তিশালী করে তোলে। তাই বিশেষজ্ঞরা মানুষ এবং বাদুড়ের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন।










