অস্ট্রেলিয়ার আসন্ন ফেডারেল নির্বাচনের ২১তম দিনে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এবং বিরোধীদলীয় নেতা পিটার ডাটন তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ তার সরকারের প্রথম মেয়াদের সাফল্য তুলে ধরেছেন, যেমন অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে উন্নয়ন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে তার সরকারের অধীনে অস্ট্রেলিয়া মন্দা এড়াতে সক্ষম হয়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
অন্যদিকে, বিরোধীদলীয় নেতা পিটার ডাটন অভিবাসন হ্রাস এবং আবাসন সংকট মোকাবেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বার্ষিক স্থায়ী অভিবাসন সংখ্যা কমিয়ে ১৪০,০০০-এ নামিয়ে আনার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন এবং বিদেশিদের বিদ্যমান আবাসন ক্রয়ে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব দিয়েছেন। এছাড়াও, তিনি প্রথমবারের মতো বাড়ি কেনার জন্য সুপারঅ্যানুয়েশন থেকে $৫০,০০০ পর্যন্ত উত্তোলনের অনুমতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সাম্প্রতিক জনমত জরিপ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ পছন্দের নেতা হিসেবে ডাটনের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তবে, উভয় প্রধান দলই সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পেতে ব্যর্থ হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে উভয় নেতাই বিক্ষোভকারীদের মুখোমুখি হয়েছেন, যার ফলে তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ তার সরকারের অর্থনৈতিক সাফল্য ও সামাজিক নীতিমালা তুলে ধরেছেন।
- বিরোধীদলীয় নেতা ডাটন অভিবাসন হ্রাস ও আবাসন সংকট মোকাবেলার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন।
- জনমত জরিপে আলবানিজ পছন্দের নেতা হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন, তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনের সম্ভাবনা অনিশ্চিত।
- নির্বাচনী প্রচারণায় উভয় নেতার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এই নির্বাচনে অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারণে ভোটারদের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।










