Home এশিয়া পেসিফিক Election এক মিলিয়নেরও বেশি প্রাথমিক ভোট, বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি নতুন স্বাভাবিকতা

এক মিলিয়নেরও বেশি প্রাথমিক ভোট, বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি নতুন স্বাভাবিকতা

177
0

অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক ফেডারেল নির্বাচনে এক মিলিয়নেরও বেশি প্রাথমিক ভোট গ্রহণের ঘটনা ঘটেছে, যা দেশটির নির্বাচনী ব্যবস্থায় একটি নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রবণতা ভবিষ্যতে নিয়মিত হয়ে উঠবে।​

অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচন কমিশন (AEC) জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ১৭ মিলিয়নেরও বেশি নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই প্রাথমিক ভোট দিয়েছেন বা পোস্টাল ভোটের জন্য আবেদন করেছেন। ২০১৯ সালের নির্বাচনে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০ শতাংশ। এছাড়া, ২০২২ সালের নির্বাচনে প্রায় ২ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান পোস্টাল ভোটের জন্য আবেদন করেছিলেন, যা ২০১৯ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। ​

এই পরিবর্তনের মূল কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা কোভিড-১৯ মহামারির পরবর্তী সময়ে জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সহজতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া, অস্ট্রেলিয়ার বাধ্যতামূলক ভোটিং ব্যবস্থা এবং নির্বাচনী কেন্দ্রে ভিড় এড়াতে ভোটারদের আগেভাগে ভোট দেওয়ার প্রবণতা বাড়িয়েছে।​

অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনী দিনেও প্রায় ৭,০০০ ভোটিং স্টেশন খোলা ছিল এবং ১৫ শতাংশ ভোটিং কর্মী অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে, প্রাথমিক এবং পোস্টাল ভোটের কারণে ফলাফল ঘোষণা করতে সময় লাগতে পারে। ​

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাথমিক ভোটের এই প্রবণতা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে এবং এটি নির্বাচনী ব্যবস্থায় একটি স্থায়ী পরিবর্তন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। তারা আশা করছেন, এই পরিবর্তন ভোটারদের জন্য আরও সুবিধাজনক হবে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের হার বাড়াবে।​

অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচনী ব্যবস্থায় এই পরিবর্তন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজর কেড়েছে এবং অন্যান্য দেশগুলোর জন্য একটি উদাহরণ হতে পারে। বিশেষ করে, বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলো এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here