অস্ট্রেলিয়ার আসন্ন ফেডারেল নির্বাচনকে সামনে রেখে, কোয়ালিশন দল এমন একটি নীতি প্রস্তাব করেছে যার অধীনে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক ছাত্রদের সংখ্যা ৮০,০০০ কমিয়ে আনার এবং ভিসা আবেদন ফি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
কী আছে প্রস্তাবে:
নতুন করে বছরে আন্তর্জাতিক ছাত্র ৩২০,০০০ থেকে কমিয়ে ২৪০,০০০-এ নামিয়ে আনার লক্ষ্য।
ভিসা আবেদন ফি বাড়িয়ে $৫,০০০ পর্যন্ত নির্ধারণ করার পরিকল্পনা, বিশেষ করে শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের জন্য নতুন করে $২,৫০০ অতিরিক্ত ফি আরোপের প্রস্তাব।
উদ্দেশ্য:
পিটার ডাটনের মতে,
“অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ছাত্রদের আগমন দেশের আবাসন সংকট, বাড়িভাড়া বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের এই চাপে থাকা বাজারকে রক্ষা করতে হবে। এই সংস্কার নাগরিকদের জন্য সুবিধাজনক হবে।”
পিটার ডাটন এবং তার দল বলছেন, আন্তর্জাতিক ছাত্রদের সংখ্যা কমালে দেশের আবাসন সংকট কমবে এবং স্থানীয়দের জন্য বাড়িভাড়া ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
সমালোচনা:
বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা খাতের নেতারা বলছেন, এতে দেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাত হুমকির মুখে পড়বে এবং অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পেশাদার সংস্থাগুলো মনে করছেন, এতে ভবিষ্যতে দক্ষ কর্মী সংকট দেখা দিতে পারে।
গ্রিনস পার্টি একে বর্ণবাদী এবং ভোট টানার উদ্দেশ্যে তৈরি করা একটি সংকীর্ণ রাজনৈতিক কৌশল বলে অভিহিত করেছে।
এই নীতি নির্বাচনের বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে
কোয়ালিশনের এই প্রস্তাব ইতিমধ্যেই জাতীয়ভাবে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যারা শিক্ষা, অভিবাসন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেন, তাদের কাছে এটি একটি গুরুতর বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নির্বাচনের ফলাফলে এই প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।










