ভেনেজুয়েলার তেল খাতে স্বচ্ছতার প্রতিশ্রুতি ভেস্তে যাওয়ার অভিযোগ, বড় করাপশন অস্পষ্টতা রয়ে গেলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবে হয়নি
যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার সাময়িক সরকার গত কয়েক মাসে তেলের আয় ও খরচে নতুন স্বচ্ছতা আনার বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু এখনো তেল রাজস্ব কোথায় যাচ্ছে তা পরিষ্কারভাবে দেখা যায়নি, বলছে একটি নতুন প্রতিবেদনে।
২০২৫ সালের শেষে নিকোলাস মাদুরোর পতনের পর ইউএস এবং ভেনেজুয়েলার প্রতিনিধি বলেছিলেন যে দেশটির কাঁচা তেলের লাভ মাসিক বাজেট হিসাবে হোয়াইট হাউজে জমা হবে এবং আন্তর্জাতিক অডিটররা তা পর্যবেক্ষণ করবেন। কিন্তু এই ব্যবস্থাগুলি বাস্তবে কার্যকরভাবে কাজ করছে বলে ওদৃশ্য সক্ষম তথ্য বা সদস্যের প্রকাশিত ফল পাওয়া যায়নি, প্রতিবেদন জানায়।
বিশেষ করে, একটি ওয়েবসাইট যা ভেনেজুয়েলার তেল রাজস্ব ট্র্যাক করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল, তাতে শুধুমাত্র মার্চে ৩০০ মিলিয়ন ডলারের তেল বিক্রির তথ্য আছে — কিন্তু কে কিনেছে বা কোন দামে তা প্রকাশ হয়নি, যা স্বচ্ছতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংশয় বাড়িয়েছে।
এছাড়া, সরকার পরিবর্তনের পরে ভেনিজুয়েলার তেল রপ্তানি এবং চুক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও ইউরোপে সরবরাহ বাড়ানোর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি দেখা গেছে। তবে তেল খাত দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি, অপব্যবস্থাপনা ও শোষণের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে, এবং নতুন ব্যবস্থাপনাতেও গভীর অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কৌশলগত চাপও রয়েছে: ট্রাম্প প্রশাসন তেলের বড় অংশ আমেরিকার বাজারে পাঠাতে চায় বলে বলা হয়েছে এবং অনেক রাজস্ব যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিয়েও নেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেছে, যা বৈশ্বিক বিতর্ক তৈরি করেছে।
সমগ্র পরিস্থিতি থেকে দেখা যায় যে তেলের রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আসেনি, এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রবীণ অস্পষ্টতা এখনো পুঁজিবাজার, বিনিয়োগকারীদের ও সাধারণ জনমতের সামনে বড় প্রশ্ন হিসেবে রয়ে গেছে।










