জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট বাস্তবায়ন নিয়ে বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে দূরত্ব কমাতে বৈঠকে বসেছে নয়টি দল
বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে অংশ নেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), গণঅধিকার পরিষদ এবং গণতন্ত্র মঞ্চের ছয়টি দল—গণসংহতি আন্দোলন, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) এবং ভাসানী জনশক্তি পার্টি।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি ও গণতন্ত্র মঞ্চভুক্ত ছয় দলের প্রতিনিধি হাসনাত কাইয়ূম বলেন, সংকট নিরসনের পথ খোঁজার উদ্দেশ্যেই এই আলোচনা হয়েছে। কিছু বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি। অন্যান্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এ বি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, প্রতিটি দল ভিন্ন ভিন্ন ফর্মুলা দিয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তবে একটি যৌথ সমাধানের পথে পৌঁছাতে তারা অন্য দলগুলোর সঙ্গে আরও সংলাপে যাবে।
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, সবাইকে নিয়ে একটি যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমেই চলমান রাজনৈতিক সংকট দূর করা সম্ভব। এই সংস্কার প্রক্রিয়া সফলভাবে এগিয়ে নিতে সরকারকেও সাহসী ভূমিকা নিতে হবে।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান জানান, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়টি দল আলোচনা চালিয়ে যাবে। তার মতে, দলগুলোর মধ্যে অন্তত ন্যূনতম ঐক্যমত্য তৈরি করতে পারলে নির্বাচনমুখী হওয়া সম্ভব।
আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন—গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন ও মুখপাত্র ফারুক হাসান, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ভূঁইয়া।










