Humanity Health Group–এর সঙ্গে যুক্ত এক ম্যানেজিং ডিরেক্টর জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকে বাস্কেটবল খেলার অভিজ্ঞতা তার ব্যক্তিগত জীবন ও করপোরেট নেতৃত্বের মানসিকতা গঠনে বিশাল ভূমিকা রেখেছে। তিনি মনে করেন, খেলাধুলা বিশেষ করে বাস্কেটবল তাকে শিখিয়েছে কীভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দৃঢ় থাকতে হয়, দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে হয় এবং সামনে এগিয়ে যেতে হয়।
তার ভাষায়, জীবনে কিংবা ব্যবসায় ধাক্কা আসবেই, কিন্তু সফলতার আসল রহস্য হলো পড়ে গিয়ে আবার উঠে দাঁড়ানো। তিনি এই দর্শনকে সহজভাবে ব্যাখ্যা করেন—“জীবনে আঘাত আসবে, কিন্তু আপনাকে আবার উঠে দাঁড়াতে হবে।”
শৈশব থেকেই নিয়মিত বাস্কেটবল খেলার কারণে তার মধ্যে গড়ে উঠেছে মানসিক দৃঢ়তা, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং দলগতভাবে কাজ করার দক্ষতা। তিনি বলেন, করপোরেট জগতে উচ্চচাপের পরিস্থিতিতে কাজ করতে গেলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো এবং চাপের মধ্যেও স্থির থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—যা তিনি মাঠ থেকেই শিখেছেন।
বাস্কেটবলের দ্রুতগতির খেলা তাকে শিখিয়েছে মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে। একইসঙ্গে নিয়মিত অনুশীলন ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তাকে ধারাবাহিকতা, জবাবদিহিতা এবং আত্মশৃঙ্খলার গুরুত্ব বুঝিয়েছে। এই গুণগুলো বর্তমানে তার নেতৃত্বের ধরনে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলায় যেমন জয়-পরাজয় দুটোই থাকে, ব্যবসায়ও তেমনি সফলতা ও ব্যর্থতা স্বাভাবিক বিষয়। মাঠে হেরে গিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা তাকে কঠিন ব্যবসায়িক পরিস্থিতিতেও ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করেছে।
বিশেষজ্ঞরাও দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলা ও নেতৃত্বের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা বলে আসছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম মানসিক চাপ কমাতে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে। এই ক্ষেত্রে বাস্কেটবল শুধুমাত্র একটি শখ নয়, বরং পেশাগত সাফল্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
প্রতিবেদনটি মূলত দেখায় যে কর্মক্ষেত্রের বাইরের অভ্যাস—বিশেষ করে খেলাধুলা—কীভাবে একজন মানুষের নেতৃত্বগুণ, মানসিক স্থিতিশীলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সফলতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।










