Home প্রোপার্টি ওয়েস্টার্ন সিডনি এয়ারপোর্ট বিজনেস পার্কে বড় চুক্তি, ১৭ হাজার বর্গমিটার জায়গা নিল...

ওয়েস্টার্ন সিডনি এয়ারপোর্ট বিজনেস পার্কে বড় চুক্তি, ১৭ হাজার বর্গমিটার জায়গা নিল ও’ব্রায়েন গ্লাস

22
0

অস্ট্রেলিয়ার Western Sydney Airport ঘিরে গড়ে ওঠা শিল্প ও লজিস্টিক হাবে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। নতুন ব্যবসায়িক ও শিল্পাঞ্চল প্রকল্পে বড় ভাড়াটিয়া হিসেবে যুক্ত হয়েছে দেশটির অন্যতম বৃহৎ কাচ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান O’Brien Glass। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১৭ হাজার বর্গমিটার জায়গা ব্যবহারের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্পত্তি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান Charter Hall ওয়েস্টার্ন সিডনি এয়ারপোর্টের উত্তর-পূর্ব অংশে এলিজাবেথ ড্রাইভ এলাকায় এই বৃহৎ বিজনেস পার্ক নির্মাণ করছে। সেখানে নতুন ডিস্ট্রিবিউশন ও লজিস্টিক সেন্টারের একটি বড় অংশ দখল করবে ও’ব্রায়েন গ্লাস।

এই চুক্তিকে প্রকল্পটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই একটি বড় জাতীয় প্রতিষ্ঠানকে “অ্যাঙ্কর টেন্যান্ট” হিসেবে পাওয়া উন্নয়ন প্রকল্পটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ওয়েস্টার্ন সিডনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল লজিস্টিক ও গুদামজাতকরণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে। নতুন বিমানবন্দর চালুর ফলে এই অঞ্চলে সরবরাহ ব্যবস্থা, পরিবহন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিজনেস পার্কটির মূল লক্ষ্য হলো দ্রুত সম্প্রসারিত সরবরাহ চেইন ও গুদামজাতকরণ খাতের চাহিদা পূরণ করা। বিশেষ করে জাতীয় পরিবহন অবকাঠামোর সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকায় বড় বড় প্রতিষ্ঠান এখন ওয়েস্টার্ন সিডনিকে ভবিষ্যৎ লজিস্টিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করছে।

ও’ব্রায়েন গ্লাসের মতো বড় প্রতিষ্ঠান যুক্ত হওয়ায় অন্যান্য সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী ও ভাড়াটিয়াদের কাছেও প্রকল্পটির গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

সম্পত্তি খাত বিশেষজ্ঞদের মতে, বিমানবন্দরকেন্দ্রিক শিল্পাঞ্চলগুলো ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, দ্রুত পণ্য সরবরাহ এবং ই-কমার্স খাতের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক লজিস্টিক অবকাঠামোর চাহিদাও বাড়ছে।

চার্টার হল জানিয়েছে, ওয়েস্টার্ন সিডনি এয়ারপোর্ট বিজনেস পার্ককে দীর্ঘমেয়াদে একটি কৌশলগত শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here