একটি সাধারণ বাড়ির পেছনের উঠান তৈরির বদলে এক দম্পতি স্থপতি বেছে নিয়েছেন একেবারেই ভিন্নধর্মী পথ। তারা একটি পুরোনো পাব বা হোটেল ভবনকে আধুনিক ও নান্দনিক আবাসনে রূপান্তর করেছেন, যেখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো ভবনের প্রথম তলায় নির্মিত একটি সবুজ বাগান।
পুরোনো বাণিজ্যিক ভবনটিকে নতুনভাবে সাজাতে গিয়ে তারা ভবনের পূর্বমুখী প্রথম তলায় একটি উঁচু বাগান তৈরি করেন। এর ফলে বাড়ির ভেতরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো প্রবেশ করছে এবং একই সঙ্গে তৈরি হয়েছে শান্ত ও সবুজে ঘেরা একটি ব্যক্তিগত খোলা জায়গা, যা বাড়ির সৌন্দর্য ও ব্যবহারিক সুবিধা দুটোই বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্থপতি দম্পতি ভবনের পুরোনো কাঠামোকে পুরোপুরি ভেঙে না ফেলে সেটিকে নতুনভাবে ব্যবহার করার কৌশল নিয়েছেন। ফলে ভবনের ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক অতীতের ছাপ বজায় রেখেই সেটিকে আধুনিক পারিবারিক বাসভবনে রূপ দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
এই প্রকল্পটি দেখিয়েছে, সৃজনশীল স্থাপত্য নকশা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে পুরোনো ও অব্যবহৃত ভবনগুলোকে নতুন জীবন দেওয়া সম্ভব। শুধু নতুন বাড়ি নির্মাণ নয়, বিদ্যমান স্থাপনাকেও পরিবেশবান্ধব ও নান্দনিকভাবে পুনর্গঠন করা যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শহুরে এলাকায় জায়গার সীমাবদ্ধতার মধ্যে এ ধরনের “উঁচু বাগান” ধারণা ভবিষ্যতের আবাসন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এটি একদিকে বাড়ির ভেতরে প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করে, অন্যদিকে বসবাসকারীদের জন্য আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সুযোগও বাড়ায়।
পুরোনো পাবকে এমন অভিনব ও আধুনিক বাসভবনে রূপান্তরের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই স্থাপত্যপ্রেমী ও ডিজাইন অনুরাগীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।










