ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত সাম্প্রতিক বিমান হামলাকে সমর্থন জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। একই সঙ্গে চলমান উত্তেজনা কমিয়ে কূটনৈতিক সমাধানে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং সোমবার ‘সেভেন সানরাইজ’ টেলিভিশন অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমরা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গৃহীত পদক্ষেপকে সমর্থন করি।”
তিনি আরও বলেন, এই হামলা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা সিদ্ধান্ত। তবে অস্ট্রেলিয়া চায় ইরান আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরে আসুক, এজন্য যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে একযোগে কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখা দরকার।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পেনি ওং বলেন, “আমরা উত্তেজনা চাই না।”
বর্তমানে ইরান ও ইরাকে প্রায় ২,৯০০ ও ১,৩০০ অস্ট্রেলিয়ান অবস্থান করছেন, যারা নিরাপত্তা উদ্বেগে নিজ দেশে ফিরে যেতে আগ্রহী।
মার্কিন হামলার পর অস্ট্রেলিয়া ইসরায়েল থেকে নাগরিক সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করেছে। তবে ইসরায়েলের আকাশপথ পুনরায় উন্মুক্ত হলে, নাগরিক সরিয়ে নিতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ ছাড়া বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নিতে অস্ট্রেলিয়া মধ্যপ্রাচ্যে দুটি সামরিক বিমান মোতায়েন করেছে।
গত শুক্রবার (১৩ জুন) ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে প্রথম হামলা চালায় ইসরায়েল। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান পাল্টা আঘাত হানে তেলআবিবে। সেই থেকে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছেই, যাতে ব্যাপক প্রাণহানিও ঘটেছে।
এর মধ্যেই শনিবার যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে এবং ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরে নিজেই জানান, ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহানের স্থাপনাগুলোতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে যুক্তরাষ্ট্র।










