সিডনি: নিউ সাউথ ওয়েলসে শেয়ার্ড ই-বাইকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মিন্স লেবর সরকার আবারও আলোচনায় এসেছে নতুন ঘোষণা দিয়ে। কিন্তু বিরোধী লিবারেল ও ন্যাশনালস দল এটিকে নিছক ‘প্রচারণার রাজনীতি’ (স্পিন) বলে কড়া সমালোচনা করেছে।
গত ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে পার্লামেন্টে ‘রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড আদার লেজিসলেশন অ্যামেন্ডমেন্ট (মাইক্রোমোবিলিটি ভেহিকলস অ্যান্ড স্মার্টকার্ডস) বিল ২০২৫’ বিরোধী দলের সমর্থন নিয়েই পাস হয়েছিল। কিন্তু পাসের ২২২ দিন বা প্রায় সাত মাস পরও এই আইনের আওতায় তৈরি নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা (রেগুলেটরি স্কিম) এখনো কার্যকর হয়নি।
সরকার সম্প্রতি আবার ‘আগামী কয়েক মাসের মধ্যে’ বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। বিরোধীরা বলছেন, এটি শুধু পুরনো প্রতিশ্রুতির পুনরাবৃত্তি ছাড়া কিছু নয় এবং কেন এত দেরি হচ্ছে তার কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
বিরোধী দল আরও জানতে চেয়েছে— ব্যক্তিগত অবৈধ ই-বাইক কবে থেকে ধ্বংস (crushed) করা শুরু হবে, তরুণ ই-বাইক আরোহীদের বিশৃঙ্খল আচরণ নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং সরকারের নিজস্ব অন্যান্য নিয়মাবলী কবে থেকে কার্যকর হবে।
বিরোধীদের পরিবহন বিষয়ক ছায়ামন্ত্রী ন্যাটালি ওয়ার্ড বলেন, “মিন্স সরকার এমন একটি নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার জন্য করতালি চাইছে যা এখনো চালুই হয়নি। সম্প্রদায়গুলো মাসের পর মাস ধরে ফুটপাতে পরিত্যক্ত ই-বাইকের জন্য ভোগান্তিতে পড়ছে— প্র্যামওয়ালা মায়েরা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং বয়স্ক নাগরিকরা চলাফেরায় চরম বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। অথচ জন গ্রাহাম এখনো বলতে পারছেন না এই আইনগুলো আদৌ কবে কার্যকর হবে। জনগণ আর প্রেস কনফারেন্স চায় না, তারা চায় প্রতিশ্রুতি পূরণ।”
বিরোধীদের মতে, এটি মিন্স সরকারের আইন পাস করে উদযাপন করা কিন্তু বাস্তবে ফলাফল না দেওয়ার আরেকটি উদাহরণ। জনগণ এখন শুধু কথা নয়, দ্রুত বাস্তবায়ন দেখতে চায়।
(প্রতিবেদনটি মূল সংবাদের সব তথ্য ধরে রেখে পুরোপুরি প্যারাফ্রেজ করে স্বাভাবিক সাংবাদিকতার ভঙ্গিতে লেখা হয়েছে।)











