কম ঘটনা ঘটলে, যৌথভাবে কী করতে হবে, মাল্টি এজেন্সি দ্বারা আজকে এই মকড্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে আমাদের খামতিগুলো দেখে নিয়ে তার সংশোধন করা হলো।
কদিন আগে, জলপাইগুড়ি জেলার বাগরাকোটে তিস্তা ফায়ারিং রেঞ্জে ভারতীয় সেনাবাহিনী বিভিন্ন অস্ত্রের মহড়া দেয়। যার নাম দেওয়া হয় ‘তিস্তা প্রহার’৷ তিস্তা নদীর তীরে সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জের সদস্যরা ছাড়াও স্পেশাল ফোর্স সেই মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। গত ১৫ মে সেই ভিডিও প্রকাশ করে ভারতীয় সেনাবাহিনী ৷ যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী কীভাবে অস্ত্রের ব্যবহার করবে, সেটাই মূলত ঝালিয়ে নেওয়া হয়েছিল ‘তিস্তা প্রহার’-এ । মর্টার থেকে শেল ফাটানো, কখনও বা হেলিকপ্টার থেকে ফায়ারিং ৷ আবার কখনও ড্রোনের ব্যবহার কীভাবে করতে হবে, তা দেখানো হয়েছিল।
ফারাক্কায় সেই অর্থে বৃহৎভাবে না হলেও যথেষ্ট বড় টিম নিয়ে মকড্রিল করেছে। এমনিতে সাধারণ মানুষের কাছে ফারাক্কা ব্যারাজ অতি স্পর্শকাতর এলাকা। সেক্ষেত্রে শুধু সীমান্তে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা নয়, দেশের অভ্যন্তরেও বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। সেই অপ্রীতিকর ঘটনার মোকাবিলায় ফারাক্কায় এই সামরিক মহড়া বলে জানা










