Home বিশ্ব মাত্র ৮৭ ঘণ্টার যুদ্ধে ভারত-পাকিস্তান বিপর্যস্ত: ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়েছে শত বিলিয়ন ডলার

মাত্র ৮৭ ঘণ্টার যুদ্ধে ভারত-পাকিস্তান বিপর্যস্ত: ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়েছে শত বিলিয়ন ডলার

155
0

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সাম্প্রতিক ৮৭ ঘণ্টার সংঘর্ষ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ৭ মে রাত ১টা ৫ মিনিটে ভারত হঠাৎ করে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামের সামরিক অভিযান শুরু করে। নয়াদিল্লির ভাষ্য, কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ নিতেই এ হামলা চালানো হয়।

ভারতের রাফায়েল যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া স্টর্ম শ্যাডো মিসাইল ও হ্যামার বোমা পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ৯টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নেওয়া হয় সন্দেহজনক ঘাঁটি, যোগাযোগ কেন্দ্র ও লজিস্টিক চেইনের স্থাপনা। পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া পরখ করে ভারত।

জবাবে পাকিস্তান দ্রুত জে-১০সি যুদ্ধবিমান এবং কোরাল ইলেকট্রনিক জ্যামিং সিস্টেম মোতায়েন করে। পাকিস্তানের দাবি, তারা ৩টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে এবং ১২টি ভারতীয় ড্রোন ধ্বংস করে দেয়।

অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি ছিল ভয়াবহ। ভারতীয় গণমাধ্যম ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৮৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে শুধুমাত্র বিমান চলাচলে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ডলার, আইপিএল স্থগিত হওয়ায় ৫০ মিলিয়ন ডলার, সামরিক খাতে ১০০ মিলিয়ন ডলার এবং যুদ্ধবিমান ধ্বংসে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়। লজিস্টিক ও বাণিজ্য খাতে ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়ে যায় ২ বিলিয়ন ডলার।

পাকিস্তানও পিছু হটেনি। তাদের ক্ষতি আনুমানিক ৪ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে করাচি শেয়ারবাজারে ধসেই ক্ষতি ২.৫ বিলিয়ন ডলার, পিএসএল বন্ধ হওয়ায় ১০ মিলিয়ন ডলার, আকাশসীমা বন্ধে ২০ মিলিয়ন ডলার এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রে ৩০০ মিলিয়ন ডলার।

আধুনিক যুদ্ধের বাস্তবতা: ক্ষতি কেবল সামরিক নয়, আর্থিকও

এই সীমিত সময়ের যুদ্ধের মাধ্যমে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে— আধুনিক যুদ্ধে শুধু গোলাবারুদ নয়, বরং অর্থনীতি, প্রযুক্তি, জনমনে প্রভাব ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ক্ষতির দৃষ্টান্ত এখন ভবিষ্যতের জন্য সতর্কবার্তা।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘর্ষ দেখিয়ে দিয়েছে যে, ভবিষ্যতে যুদ্ধ প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি হবে কূটনৈতিক দক্ষতা, অর্থনৈতিক সহনশীলতা এবং প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি। দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার একমাত্র উপায় পারস্পরিক বোঝাপড়া ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here