টিকটক ব্যবহারকারীদের জন্য চালু হয়েছে নতুন ‘টাইম অ্যান্ড ওয়েল-বিয়িং’ ফিচার, যা সচেতন ও স্বাস্থ্যসম্মত ডিজিটাল অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। এ আপডেটের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মে আরও ইতিবাচক, নিরাপদ ও ভারসাম্যপূর্ণ অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্যে টিকটক তার প্রতিশ্রুতি আরও জোরদার করেছে।
নিরাপত্তা ও কমিউনিটি গাইডলাইনকে অগ্রাধিকার দিয়ে টিকটক এ নতুন সুবিধাগুলো নিয়ে এসেছে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য আগের তুলনায় বিশ্রাম নেওয়াকে সহজ করবে। আগের স্ক্রিন টাইম ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের পরিবর্তে যুক্ত করা হয়েছে বেশ কিছু নতুন টুল। এর মধ্যে রয়েছে— প্রতিদিনের লক্ষ্য ঠিক করতে সাহায্যকারী ১২০টির বেশি অ্যাফারমেশন কার্ড, যা ব্যবহারকারীরা ডাউনলোড বা শেয়ার করতে পারবেন।
এ ছাড়া যুক্ত হয়েছে সাউন্ড জেনারেটর, যেখানে বৃষ্টির শব্দ, সমুদ্রের ঢেউ কিংবা হোয়াইট নয়েজের মতো প্রশান্তিদায়ক শব্দ পাওয়া যাবে। নতুন ব্রিদিং এক্সারসাইজ ফিচারে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন, যা ব্যবহারকারীদের মানসিক স্বস্তি বাড়াতে সহায়তা করবে।
টাইম অ্যান্ড ওয়েল-বিয়িং চালুর সঙ্গে সঙ্গে প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা হয়েছে চারটি নতুন ওয়েল-বিয়িং মিশন। দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যকর ডিজিটাল অভ্যাস গড়তে ছোট ও আকর্ষণীয় এসব মিশন সবার জন্য উপযোগী করে ডিজাইন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আট সপ্তাহের স্লিপ আওয়ার মিশন, যেখানে ভার্চুয়াল ‘ওয়েল-বিয়িং ট্রি’ অনুসরণ করে অগ্রগতি দেখা যাবে। নির্ধারিত সীমার মধ্যে স্ক্রিন টাইম মানতে ব্যবহারকারীরা পাবেন দৈনিক স্ক্রিন টাইম ব্যাজ, আর প্ল্যাটফর্মে ব্যয় করা সময় যাচাই করতে থাকবে সাপ্তাহিক স্ক্রিন টাইম রিপোর্ট মিশন। পাশাপাশি অন্যদের এ ফিচার ব্যবহারে উৎসাহিত করতে চালু হয়েছে ওয়েল-বিয়িং অ্যাম্বাসেডর মিশন।
টিকটকের ডিজিটাল ওয়েলনেস ল্যাব, নিজস্ব গবেষণা এবং ইয়ুথ কাউন্সিলের মতামতের ভিত্তিতে এই মিশনগুলো তৈরি করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, কিশোর-কিশোরীদের দুই-তৃতীয়াংশই ডিজিটাল সময় ব্যবস্থাপনার টুলকে উপকারী বলে মনে করে।
প্রযুক্তি ব্যবহারের সময়সীমা ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে টিকটক নতুন এ টুলগুলোকে প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করেছে। বিনোদনের পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সামগ্রিক ভালো থাকার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিতে চাইছে প্রতিষ্ঠানটি।










