বৈরুতে ২০২৪ সালে ইসরায়েলি বিমান হামলায় বাবা-মা হারানোর পর ফরাসি-লেবানিজ বিখ্যাত শিল্পী আলি চেরি ফ্রান্সে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর বাবা মাহমুদ চেরি এবং মা নাদরা হায়েক বৈরুতের পারিবারিক বাসায় হামলায় নিহত হন। শিল্পী আলি চেরি বলেছেন, তাঁর পরিবারের সদস্যরা কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিলেন না এবং এটি একটি স্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ। ফরাসি আইনজীবী ক্লেমেন্স বেকতার্তের সহায়তায় দায়ের করা মামলায় তিনি দায়ীদের বিচার এবং ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
আলি চেরি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী, যাঁর কাজে প্রায়শই যুদ্ধ ও মানবিক সংকটের বিষয় উঠে আসে। তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমার বাবা-মা সাধারণ নাগরিক ছিলেন। তাঁদের এভাবে হারানো আমার জীবনকে চিরতরে বদলে দিয়েছে। এই হামলা কোনো সামরিক প্রয়োজন ছিল না।” মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ওই হামলায় বেসামরিক এলাকায় কোনো সামরিক লক্ষ্য ছিল না বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনা ইসরায়েল-লেবানন সংঘাতের মানবিক মূল্যের আরেকটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফ্রান্সের আদালতে দায়ের করা এই মামলা আন্তর্জাতিকভাবে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলোতে চলমান আইনি লড়াইয়ের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। লেবানিজ ডায়াসপোরা এবং ফরাসি খ্রিস্টান-মুসলিম সম্প্রদায় এই অভিযোগকে সমর্থন করেছে। আলি চেরির এই পদক্ষেপ অনেককে অনুপ্রাণিত করেছে যাতে যুদ্ধাপরাধের শিকাররা ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই চালিয়ে যান।










