যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সব পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সুপারিশ করেছেন, যা আগামী ১ জুন থেকে কার্যকর হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইইউর সঙ্গে চলমান আলোচনায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে তিনি ২০ শতাংশ শুল্কের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, পরে তা কমিয়ে ১০ শতাংশে নামানো হলেও এবার এক লাফে তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার ঘোষণা এসেছে।
শুধু ইউরোপ নয়, ট্রাম্প অ্যাপলকেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে তৈরি আইফোনে কমপক্ষে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তিনি বলেন, অ্যাপলের উচিত তাদের সব পণ্য আমেরিকার ভেতরে উৎপাদন করা।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘোষণাগুলো মূলত কৌশলগত চাপ সৃষ্টির জন্য হলেও ইতোমধ্যেই এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের শেয়ারবাজারে পতন ঘটেছে, এবং অ্যাপলের শেয়ার মূল্য ২ শতাংশের বেশি কমেছে।
ইইউ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইউরোপ কৌশলগতভাবে শান্ত থেকে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে।
গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভলভো সতর্ক করে বলেছে, এমন শুল্ক মার্কিন ক্রেতাদের জন্য পণ্যের দাম বাড়াবে এবং উভয় পক্ষেরই ক্ষতি ডেকে আনবে।
তবে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, উভয় পক্ষের স্বার্থে শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব, কারণ এই শুল্ক বাস্তবায়িত হলে তা দুই পক্ষের অর্থনীতিতেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।










