ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েল যদি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়, তবে এর দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকেও নিতে হবে।
এই বক্তব্য এসেছে এমন এক সময়, যখন সিএনএনের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আসা নতুন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ইসরায়েলের মধ্যে এমন পরিকল্পনার আভাস পাওয়া যাচ্ছে, যদিও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল সামরিক মহড়া এবং গোলাবারুদ সরানোর মাধ্যমে আকাশপথে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে কিছু বিশ্লেষকের মতে, এসব তৎপরতা ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করার কৌশলও হতে পারে, যাতে তারা তাদের পারমাণবিক কার্যক্রমে ছাড় দেয়।
এই প্রেক্ষাপটে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক আলোচনা আগামী শুক্রবার (২৩ মে) পঞ্চম দফায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আলোচনার মূল বিরোধ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে, যা ওয়াশিংটনের মতে অস্ত্র তৈরির পথে নিতে পারে তেহরানকে, যদিও ইরান বরাবরই দাবি করে তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ।
জাতিসংঘ মহাসচিবকে পাঠানো এক চিঠিতে আরাগচি বলেছেন, ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরান জবাব দিতে প্রস্তুত এবং প্রয়োজনে ‘বিশেষ ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েল যদি হামলা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রও তার মিত্র হিসেবে দায় এড়াতে পারবে না। ইরানের প্রতিক্রিয়া নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পদক্ষেপের কার্যকারিতা ও দৃঢ়তার ওপর।










