ডিজনির সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত লাইভ অ্যাকশন চলচ্চিত্র ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’-এর মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া অভিনেতা ডেভিড এইচ.কে. বেল আর আমাদের মাঝে নেই। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। মৃত্যুর কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো না হলেও খবরটি নিশ্চিত করেছেন তাঁর বোন জেলিন কানানি বেল।
ডেডলাইন সূত্রে জানা গেছে, বোন জেলিন সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগপূর্ণ বার্তায় বলেন, “আমার প্রতিভাবান, উদার, রসিক, সুদর্শন এবং প্রিয় ছোট ভাই ডেভিড আজ থেকে আমাদের স্বর্গীয় বাবার সান্নিধ্যে থাকবেন। আমি কখনো ভাবিনি তাঁর বিদায়ের কথা লিখতে হবে, কিন্তু নিয়তি আজ আমাকে তা লিখতে বাধ্য করেছে।”
তিনি আরও লেখেন, “‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’-এ তাকে বড় পর্দায় দেখার পর আমাদের শেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল আমার বসার ঘরে। আমরা জীবনের নানা গল্প ভাগাভাগি করছিলাম, পারিবারিক ইতিহাস নিয়ে আলাপ করছিলাম। প্রতিটি মুহূর্তই ছিল পরম আশীর্বাদ। আমি সেই স্মৃতিগুলো আজীবন লালন করব।”
ডেভিড বেলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে ভক্তদের ভালোবাসা ও শোকবার্তায় ভরে উঠেছে। এক ভক্ত লিখেছেন, “ডেভিড হেকিলি কেনুই বেলের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত।” আরেকজন লেখেন, “তিনি ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’-এ শেভ আইস গাই চরিত্রে আমাদের আনন্দ দিয়েছিলেন। আপনাকে কখনও ভুলব না। শান্তিতে বিশ্রাম নিন।”
২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ চলচ্চিত্রে ডেভিড অভিনয় করেন মূল ২০০২ সালের অ্যানিমেটেড সিনেমার একটি জনপ্রিয় পর্যটক চরিত্রের আধুনিক সংস্করণে। আগের চরিত্রটি বারবার আইসক্রিম ফেলে দিতেন; আর রিমেকে ডেভিডের চরিত্রটি শেভড আইস ফেলে দেন, যখন জুম্বা ও প্লিকলি দ্বীপে একটি পোর্টাল খুলে ফেলেন।
মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ডেভিড তাঁর ইনস্টাগ্রামে ‘বিগ হাওয়াইয়ান ডিউড’ চরিত্রে অডিশনের ছবি ও শুটিংয়ের বিহাইন্ড দ্য সিনস ঝলক শেয়ার করেছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, “এই সিনেমায় কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত। কাস্ট অ্যান্ড ক্রু স্ক্রিনিংয়ে অংশ নেওয়া আমার জন্য বিশেষ সম্মানের ছিল। বিশেষ করে আমাদের হাওয়াইয়ের স্থানীয় ক্রুদের দেখা ছিল অসাধারণ অভিজ্ঞতা। তারা সত্যিকারের তারকা, এবং তাদের যথার্থ স্বীকৃতি প্রাপ্য।”
ডেভিডের আকস্মিক চলে যাওয়া তাঁর পরিবার, সহকর্মী এবং অগণিত ভক্তকে শোকসাগরে ভাসিয়ে দিয়েছে। সংক্ষিপ্ত ক্যারিয়ারেও তিনি অনেকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।










