জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে বিসিবির পরিচালক পদ বাতিল হওয়ায় ফারুক আহমেদের সভাপতি পদ হারানো এখন প্রায় নিশ্চিত। এর আগে বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের নয়জনের মধ্যে আটজন তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেছিলেন।
এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ফারুক আহমেদ। তার দাবি, তাকে অন্যায় ও জোরপূর্বকভাবে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি ইতোমধ্যে আইসিসিকে বিষয়টি জানিয়েছি এবং আশা করছি তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। বিসিবিতে শিগগিরই আইসিসির পক্ষ থেকে চিঠি আসবে।”
তিনি উদাহরণ টানেন শ্রীলঙ্কার, যেখানে সরকার বোর্ড ভেঙে দিলে আইসিসি হস্তক্ষেপ করে পুরনো বোর্ডকে পুনর্বহাল করেছিল। ফারুকের বিশ্বাস, বাংলাদেশেও একই রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করবে আইসিসি।
তবে বোর্ডের অধিকাংশ পরিচালকই তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। কেবল আত্মীয় আকরাম খান ছাড়া বাকি আটজন পরিচালকই তার প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন। পরিচালক মাহবুব আনাম ও ইফতিখার রহমান মিঠু জানান, “যখন সরকারই আস্থা হারিয়েছে, তখন আমরা কীভাবে তাকে সমর্থন করি?”
২৮ মে রাতে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার সঙ্গে ফারুক আহমেদের একান্ত বৈঠকের পর তাকে জানানো হয়, সরকার আর তাকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় না। এরপরই পরিচালকদের আনাস্থা এবং এনএসসির পক্ষ থেকে তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়।
পরদিন এনএসসির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফারুক আহমেদের পরিচালক পদ বাতিল করা হয়েছে। ফলে যেভাবে তিনি বোর্ডে এসেছিলেন, সেই পথ এখন বন্ধ হয়ে গেছে এবং সভাপতি পদেও তিনি আর থাকছেন না।










