একটি নতুন দেশে নাগরিকত্ব অর্জনের সঙ্গে অনেক “প্রথম অভিজ্ঞতা” আসে—যার মধ্যে অন্যতম হলো নির্বাচনের দিন নিজের মতামত প্রকাশ করার সুযোগ।
এই মাসের ফেডারেল নির্বাচনটি হবে এশাক আলি কুরবানি’র জন্য প্রথম, যেখানে তিনি ভোট দিতে পারবেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ১৩ বছর ধরে বসবাস করছেন। ভিক্টোরিয়ার গোলবার্ন অঞ্চলের শেপার্টনে বসবাসকারী এই নতুন নাগরিকের প্রথম ভাষা হলো হাজারাগি।
৭০ বছর বয়সী মি. কুরবানি বলেন, তিনি ভোট দিতে পেরে খুব উচ্ছ্বসিত, তবে ভোট ও নির্বাচনের তথ্য জানার জন্য তিনি অন্যদের ওপর নির্ভর করেন।
তিনি বলেন,
“আমি বন্ধুদের সঙ্গে খবর দেখি, তারপর কমিউনিটির সদস্যদের জিজ্ঞাসা করি, এরপর নির্বাচন ও ভোট সংক্রান্ত তথ্যের জন্য জাতিগত কাউন্সিলে যাই।”
তিনি আরও বলেন,
“হাজারাগি ভাষায় কিছু তথ্য আছে, কিন্তু যথেষ্ট উৎস নেই।”
হাজারা কমিউনিটির আরেক সদস্য, ৭৯ বছর বয়সী জুমা খান আত্তাঈ বলেন, তিনি ভোট দেওয়ার জন্য শেপার্টনের জাতিগত কাউন্সিল থেকে সহায়তা নেন।
তিনি নমুনা ব্যালট ব্যবহার করে অনুশীলন করছেন।
তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্বাস্থ্য এবং সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধ পাওয়া।
তিনি বলেন,
“আমাদের মতো বয়স্ক মানুষের যত্ন নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।”
শেপার্টন ও জেলার জাতিগত কাউন্সিলের কেস ম্যানেজার আব্দুল্লাহ নবিদ বলেন, তিনি প্রায়ই মানুষকে ভোটার তালিকায় নাম নিবন্ধন করতে সহায়তা করেন।
তিনি বলেন,
“তারা খুব খুশি, কারণ এখন তারা ভোট দেওয়ার অধিকার পেয়েছে।”
তিনি আরও বলেন,
“প্রথমবারের ভোটাররা প্রায়ই অস্ট্রেলিয়ান নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। তাই অনেকে অনুশীলনের জন্য নমুনা ব্যালট পূরণ করে।”










