টানা বৃষ্টির অজুহাতে রাজধানীর বাজারগুলোতে সবজির দাম বাড়লেও, মুরগির দামে এই সপ্তাহে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। ফলে একদিকে ক্রেতারা যেমন সবজির দামে ভোগান্তিতে পড়েছেন, তেমনি মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তিও পাচ্ছেন।
রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালীন বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। যেমন, বেগুন, করলা, বরবটি ও পটলের দাম ৫০–৭০ টাকার মধ্যে উঠানামা করছে। শীতকালীন সবজির মধ্যে লাউ ৫০–৬০ টাকা, গাজর ৭০ টাকা, টমেটো ৪০–৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১৫০ টাকা, দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা এবং লাল ও সাদা লেয়ার মুরগির দাম যথাক্রমে ৩১০ ও ২৯০ টাকা রয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, ঈদুল আজহার আগে সবসময়ই মুরগির দামে স্থিতিশীলতা থাকে, যা এবারও দেখা যাচ্ছে।
শেওড়াপাড়ার মুরগি বিক্রেতা সোহেল জানান, দাম কম থাকায় বিক্রি বেড়েছে। ক্রেতারাও বিষয়টি ভালোভাবে গ্রহণ করছেন। ছোট ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, “এখন দামটা গ্রহণযোগ্য, তাই মুরগি কিনছি।”
অন্যান্য পণ্যের দিকেও নজর দিলে দেখা যায়, আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজিতে, দেশি পেঁয়াজ ৫৫ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, আদা ১৩০–২৮০ টাকা এবং রসুন ১৩০–২২০ টাকা দরে।
চালের বাজারে মিনিকেট ৮২–৯২ টাকা, নাজিরশাইল ৮৪–৯০ টাকা, স্বর্ণা ৫৫ টাকা এবং আতপ চাল ৬৫ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।
মাছের বাজার মোটামুটি স্থিতিশীল, তবে রুই, মাগুর ও চিংড়ির মতো মাছের দাম কিছুটা বেশি। গরুর মাংস ৭৮০–৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১২০০ টাকা এবং কলিজা ও বট যথাক্রমে ৮০০ ও ৩৫০–৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের দামে কিছুটা তারতম্য রয়েছে—লাল ডিম ডজনপ্রতি ১৩০ টাকা, হাঁসের ডিম ২২০ টাকা, দেশি ডিমের হালি ৯০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে।










